
নিষ্পাপ এক হাসিমাখা মুখ। মাত্র ২ বছর ১০ মাসের শিশু আমাতুল্লাহআহসান হাদিয়া। এ বয়সে যখন তার হেসে-খেলে বেড়ানোর কথা, তখনসে লড়ছে জীবনের সবচেয়ে কঠিন লড়াইয়ে। শিশু হাদিয়ার হার্টে ধরা পড়েছে জন্মগত হৃদরোগের কঠিন সমস্যা। হাদিয়ার বাবা মসজিদেরইমাম জানান, জন্মের মাত্র ১৪ দিন পরেই তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয় হাদিয়ার। উপজেলা থেকে জেলা, পরবর্তীতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ দিন অবস্থানকালে চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন হাদিয়ার হৃদযন্ত্রে জন্মগত জটিলতা রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু অর্থাভাবে ঐ সময় তার চিকিৎসা আর এগোয়নি। অতি সম্প্রতি হাদিয়াকে ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ নুরুন্নাহার ফাতেমাকে দেখানো হয়। তাঁর পরামর্শে মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক ডাঃ শামছুদ্দিনের তত্ত্বাবধানে নিজ বাড়িতে রেখে শিশুটির চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত তার ্#৩৯;কার্ডিয়াক ক্যাথেরাইজেশন এবং পরবর্তীতে অপারেশন প্রয়োজন। ওই অস্ত্রোপচারে হয়তো হাদিয়া স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। হাদিয়ার বাবা মোঃ হযরত আলী উলিপুর পৌরসভার নুরপুর আকন্দবাড়ি বাইতুল আমান জামে মসজিদে প্রায় ১৫ বছর ধরে ইমামতি করেন। মাত্র ৭ হাজার টাকা দিয়ে তিনি ৪ সদস্যের সংসার চালান। তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়ে বর্তমানে তিনি পৌরসভার যোগীপাড়ায় বসবাস করছেন। ৫ লক্ষ টাকার বিশাল ব্যয়ভার বহন করা তার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।
একটি নিষ্পাপ শিশুকে বাঁচাতে সামান্য অবদান হতে পারে শিশুটির নতুন জীবনের সূচনা। আসুন, আমরা সবাই মিলে হাদিয়ার মুখে
হাসি ফোটাই। হাদিয়াকে সাহায্য করতে চাইলে বাবা হযরত এর বিকাশ নং ০১৭১৭৭৮৯৩৯১।