1. online@69bd.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@69bd.tv : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন

শহীদ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে সাবেক স্ত্রীর মিথ্যা অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ৩৮০ বার পঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁ ন্যাশনাল মডেল স্কুলের পরিচালক মো. শহীদ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রী শারমিন আক্তারের আনা অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে শহীদ প্রামাণিকের পরিবার ও সন্তানরা।

গত ৩০ এপ্রিল শারমিন আক্তারের সাথে প্রতারনা, স্বর্ণালঙ্কার গ্রহন, একাধিক অনৈতিক সম্পর্ক, নির্য়াতন করার প্রতিবাদে শহীদ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন ।তার এই সংবাদ সম্মেলন পাল্টা বক্তব্যে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, প্রকৃত অর্থে শারমিন আক্তারই তার স্বামী ও সন্তানদের ওপর দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নির্যাতন চালিয়ে আসছেন দাবী জানিয়ে শারমিন আক্তারের নিজ সন্তানরা।
বড় মেয়ে সানজিদা সাবিহা শিফা অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানান, “মা ছোটবেলা থেকেই বাবার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন। বাবার প্রতি রাগ মেটাতে তিনি আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তেন। মায়ের মারধরের কারণে আমার একটি দাঁত উপড়ে গিয়েছিল এবং ছোট ভাই শ্রেষ্ঠর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি দেখেছি বাবা আমাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করতেন। কিন্তু পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং নানার বাড়ির লোকজন বাবাকে ডিভোর্সের হুমকি দিচ্ছিল, তখন আমি নিজেই বাবাকে বলি এই প্রতিদিনের অশান্তি আর অত্যাচারের চেয়ে একবারে আলাদা হয়ে যাওয়া ভালো। বাবার এই অসহ্য যন্ত্রণাময় জীবন থেকে মুক্তি নিশ্চিত করতেই আমি তাকে ডিভোর্সের পরামর্শ দিয়েছি।“
ভুক্তভোগী স্বামী মো. শহীদ প্রামাণিক জানান, ২০০৮ সালে বিয়ের পর থেকেই শারমিন আক্তার ও তার পরিবার আমার সহায়-সম্পত্তির ওপর নজর দেয়। নওগাঁ শহরের বাড়ি এবং গ্রামের পৈত্রিক সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেওয়ার জন্য শারমিন আমাকে প্রতিনিয়ত চাপ দিতেন। সেটা না পেয়েই তিনি একের পর এক মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছেন।

এছাড়া “গত ২৫ মার্চ আমি তাকে আইনগতভাবে তালাক প্রদান করি। এর প্রতিশোধ নিতেই তিনি ৫ লক্ষ টাকার ভুয়া যৌতুক মামলা এবং বিভিন্ন ভাবে আমার মানহানি করছেন। অথচ বিয়ের সময় আমি তাকে মোহরানা পরিশোধ করে ঘরে তুলেছিলাম এবং তারা আমাকে কোনো টাকা বা ২০ ভরি গয়না দেয়নি; বরং শারমিন নিজেই বাড়ি থেকে গয়না নিয়ে চলে গেছেন।”

সবশেষে তিনি বলেন , বর্তমানে ৫ লক্ষ টাকার কথিত যৌতুক মামলাটি চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে। একজন নিরপরাধ মানুষ হিসেবে আমি প্রশাসনের কাছে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত নিরপেক্ষ ও গভীরভাবে তদন্ত করা হয়। সত্য যেন সামনে আসে এবং আমি ও আমার সন্তানরা যেন এই হয়রানি থেকে মুক্তি পাই।”
শহীদ প্রামাণিকের মা শহীদা বেগম জানান, সে আমার ছেলে নাতিদের অত্যাচার করতো। আমি অনেক চেষ্টা করেছি বৌমাকে বুঝাতে কিন্তু সে বুঝল না । তার অস্বাভাবিক আচরণের কারণে এবং পরিবারের সম্মতিতে ২০১৩ সালে তার ছেলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।তার অভিযোগ মিথ্যা ও ন বানোয়াট।

স্থানীয় ন্যাশনাল স্কুলের একাধিক শিক্ষক এবং এলাকাবাসী জানান শহীদ প্রামাণিককে একজন শান্ত ও ভদ্র মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost