শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যা ৭টায় সৈকতের লাবনী পয়েন্টের বালিয়াড়ি থেকে ওই আলো দেখতে পান পর্যটকসহ স্থানীয় দর্শনার্থীরা। বিষয়টি ব্যাপক কৌতূহলের জন্ম দেয়।
লাবণী পয়েন্টের বালিয়াড়ি থেকে সৈকতের আকাশের আলোটি ক্যামেরাবন্দী করেন স্থানীয় যুবক হোছাইন মোহাম্মদ মিশুক। তিনি বলেন, সৈকতে বসে ছিলাম আমরা ৬ জন বন্ধু। হঠাৎ সন্ধ্যা ৭টায় আকাশে দেখি ভিন্ন রকমের আলো। যা দ্রুত মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করি। এই আলোর স্থায়িত্ব ছিল ১ মিনিট। তবে, এটা কী ছিল তা বুঝতে পারছি না।
অ্যাডভোকেট কেফায়েত উল্লাহ তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও দিয়ে লেখেন, ‘ঠিক ইরানি মিসাইলের মতো….কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে আমিও দেখলাম। আপনাদেরকেও দেখার সুযোগ করে দিলাম।’
এ ব্যাপারে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এটা আবহাওয়া গত বিষয় নয়।
আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এটা ভারতের জলসীমায় ঘটেছে। অনেকে বলছেন, এটা দূরপাল্লার মিসাইল পরীক্ষা হতে পারে।’
আলো দেখা গেছে মাদারীপুর থেকেও
শহরের জজকোর্ট, মোস্তফাপুর, শিবচরসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন আকাশে এই আলোক রশ্মি দেখতে পান।
স্থানীয়রা জানান, আলোক রশ্মি দেখে তাদের মাঝে কৌতুহল জাগে। এই দৃশ্য মোবাইলে অনেকেই ভিডিও করে রাখেন। কিছুক্ষণ পর আবার হঠাৎ উধাও হয়ে যায় এই আলোক রশ্মি।
শিবচরের হাতির বাগান এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, এমন আলোক রশ্মি দেখে আতঙ্কিত হয়ে যাই। তবে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করার পরপরই এটি উধাও হয়ে যায়।
শহরের জজ কোর্ট এলাকার সাইফুল ইসলাম নয়ন বলেন, ৫ মিনিটের মতো আকাশে উড়ছিল অদ্ভুত এই আলোক রশ্মি।
মানবাধিকার কর্মী সুবল বিশ্বাস বলেন, এটি মেঘ ও সূর্যের আলোর মিথস্ক্রিয়া। এটি কোনো মিসাইল পরীক্ষার অংশ হতে পারে।
Leave a Reply