
মো: সাজিদ পিয়াল,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলেরভুয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে এক শ্রেণির অসচেতন মানুষের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকরা। মহাসড়কের ওপর খড় শুকানো, গোবর ও বিভিন্ন বর্জ্য ফেলে রাখা এবং রাস্তার ওপর গাছের ডালপালা ও গুঁড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। এতে জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের দুই পাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা ও বাড়ির আঙিনা থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যক্তি সরাসরি সড়কের ওপর খড় বিছিয়ে শুকাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ গরুর গোবরসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলে রাখছেন। শুধু তাই নয়, রাস্তার বড় একটি অংশ জুড়ে গাছের ডালপালা ও গুঁড়ি ফেলে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।বিশেষ করে রাতে ও ভোরবেলায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। অনেক সময় দূর থেকে এসব প্রতিবন্ধকতা দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে কিছু অসচেতন ব্যক্তি উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছেন। কেউ কেউ প্রতিবাদকারীদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন এবং নানাভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি মহাসড়ক শুধু যান চলাচলের পথ নয়, এটি একটি এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ও শৃঙ্খলার প্রতীক। সেখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সড়কের সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, মানুষের জীবনকেও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে।এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা বলছেন,মহাসড়কে খড় শুকানো,বর্জ্য ফেলা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, জনসচেতনতার পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিং ও প্রশাসনিক কঠোরতা ছাড়া এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
Leave a Reply