1. online@69bd.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@69bd.tv : admin :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামে শিশু বলাৎকার মামলায় বিবাদীর হুমকিতে ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদী; সঠিক বিচারের দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ৪৬ বার পঠিত

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিম খান ইউনিয়নের বাছড়া বালাটারী তালিমুল কুরআন নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হুজুর কর্তৃক ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতন ও বলাৎকার মামলায় বিবাদীর হুমকিতে ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদী। এদিকে মামলার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও আসামিকে এখনো গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

জানা গেছে, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু মোজাহেদুল ইসলামের বাবা সাহেব আলী বাদী হয়ে গত ০৯/০৩/২৬ইং তারিখে রাজারহাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটি কুড়িগ্রাম চীফ-জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের আমলি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার জিআর নং- ৩১/২৬, তারিখ- ১১/০৩/২৫ইং। মামলা হওয়ার পর থেকেই বিবাদীপক্ষ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন লোকসহ প্রভাবশালী মহলের লোকজন দিয়ে হুমকি-ধামকি প্রদান করে আসছে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষ। এজন্য বিবাদীর ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদী।

মামলার বাদী সাহেব আলী জানান, বিবাদীপক্ষ অনেক প্রভাবশালী, অনেকদিন ধরে বিভিন্ন লোক মারফত আমাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। আমি বাড়িতে থাকতে পারিনা, তাদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আসামি অপরাধ করে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে অথচ পুলিশ এখনো আসামিকে গ্রেফতার করছে না। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই।

আসামি গ্রেপ্তারের বিষয় মোবাইল ফোনে কথা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইউনুস আলী সরকার জানান, আসামি পলাতক রয়েছে তাই আটক করা যাচ্ছে না। এবং আসামিপক্ষের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি সে ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে উল্লেখ করেন। মামলার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলার তদন্তের চার্জশিট প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, দ্রুত তদন্ত শেষে মামলার চার্জশিট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হবে।

উল্লেখ্য, বাছড়া বালাটারী তালিমুল কুরআন নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় গভীর রাতে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলামের হাতে ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থী হাফেজ পড়ুয়া মোজাহেদুল ইসলাম শারীরিক নির্যাতন ও বলাৎকারের শিকার হয়। পরে সে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার দিলে মাদ্রাসা পরিচালক হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা) নির্যাতন ও বলাৎকারের বিষয়টা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এবং তিনি সহ অত্র প্রতিষ্ঠানের কমিটি তড়িঘড়ি করে রাতের মধ্যে ধর্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলামকে প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় করে দেয়। ভুক্তভোগী হাফেজ পড়ুয়া মোজাহেদুল ইসলাম(১০) রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের বালাকান্দি সরকার পাড়া গ্রামের মোঃ সাহেব আলীর পুত্র।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost