1. online@69bd.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@69bd.tv : admin :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন

দীঘিনালায় বন বিহারে যথ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন

সোহেল রানা, দিঘিনালা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৪ বার পঠিত

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় বন বিহারে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দীঘিনালা বনবিহার পরিচালনা কমিটির আয়োজনে প্রবারনা পূর্নিমা উপলক্ষে বিহারে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্টানে প্রধান ধর্মআলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘীনালা বন বিহারের আজীবন অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় নন্দপাল মহাস্হবির ভান্তে।, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য শান্তি প্রিয় চাকমা, কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা, বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা প্রমূখ।

দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা অংশগ্রহণ করে বুদ্ধের অহিংসা, শান্তি, মৈত্রী ও করুণার বাণী স্মরণ করেন।
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে সকাল ৯ টায় বুদ্ধপূজা,বুদ্ধ মুর্তি দান,সংঘদান, অষ্টপরিস্কারসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও ধর্মদেশনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উৎসবটি পালন করা হয়।
প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে শুরু হওয়া তিন মাসব্যাপী বর্ষাব্রত শেষে আশ্বিনী পূর্ণিমায় প্রবারণা উদযাপিত হয়। এদিন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বর্ষাব্রত সমাপ্ত করেন এবং আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ধর্মীয় অনুশীলনের মাধ্যমে জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উৎসবকে কেন্দ্র করে দিঘীনালা বন বিহার ও আশপাশের এলাকায় ধর্মীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতিতে বিহার প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে। এ সময় দেশ ও জাতির মঙ্গল, বিশ্বশান্তি এবং সকল প্রাণীর সুখ-শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
প্রবারণা পূর্ণিমার মূল শিক্ষা হলো আত্মশুদ্ধি, ক্ষমাশীলতা, অহিংসা ও সম্প্রীতির চর্চা। এই শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধরা।
দিঘীনালা বন বিহারে আয়োজিত এ ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost