
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রিতে প্রকৃত কৃষকরা বঞ্চতি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ধান বিত্রিু করছে বলে ভিযোগ উঠেছে। সরকার চলতি বছরে গোডাউনে ধান ত্রুয়ের জন্য লটারীর আবেদন করিলেও প্রকৃত কৃষকরা আবেদন করতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী প্রকৃত কৃষকদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও কৃষক কার্ডের তথ্য ব্যবহার করে আবেদন করেছেন। ফলে লটারিতে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যবসায়ীদের মনোনীত ব্যক্তিরা, আর প্রকৃত কৃষকরা সরকারি মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, তাদের অজান্তেই প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যবহার করে আবেদন করা হয়েছে। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন এবং সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকৃত কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। চলতি বছরে সরকারী ভাবে মোট বরাদ্ধ ধান ত্রুয়-২২৯৪ মেঃটন এবং আবেদন করেছেন প্রায় ১২হাজার এর মধ্যে ৭৬৫ জন কৃষককে প্রাথমিক ভাবে লটারীতে মনোনিত করা হয়েছে। বাস্তবে প্রকৃত কৃষকরা আবেদনের বিষয়টি জানেন না। তাদের আইডি কার্ড ব্যবহার করে ব্যবসায়ীরা আবেদন করেছেন বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
অপরদিকে নাগেশ্বরী খাদ্য গুদামের কর্মকতা ওসিএলএসডির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ভাল সম্পর্ক থাকায় এই ধরনের কর্মকান্ডে ব্যবসায়ী জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে নাগেশ্বরী খাদ্যগুদামের দায়িত্বে ওসিএলএসডি সাথে কথা হলে তিনি জানান নিয়ম মেনে ধান ত্রুয় করা হচ্ছে। উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক জানান,অভিযোগের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লটারির কার্যক্রম সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করেই সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
Leave a Reply