1. online@69bd.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@69bd.tv : admin :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দীঘিনালায় ওএমএস(সুলভ মূল্যে) চাল আটা বিক্রয় শুরু

সোহেল রানা, দিঘিনালা প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৮ বার পঠিত

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্যসংকট ও দুর্ভোগ লাঘবে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার সরকারের স্বল্পমূল্যের খাদ্যশস্য বিক্রয় কর্মসূচি ‘খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস)’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত এ কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নির্ধারিত মূল্যে প্রতিকেজি চাল- ৩০টাকা ও প্রতিকেজি আটা-২৪টায় কিনতে পারছেন। এতে ৫টি ইউনিয়ন ২শত পরিবার সুলভ ওএমএস সুবিধা পাবে।

বুধবার (১১আগস্ট) এ কর্মসূচির জন্য ৫টি ইউনিয়নে কবাখালী, বোয়ালখালী, বাবুছড়া, মেরুং বাজারে ওএমএস কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিপুণ চাকমা।

খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ওএমএসের আওতায় প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং প্রতি কেজি আটা ২৪ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা কিনতে পারবেন।

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে সাপ্তাহিক সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ওএমএস ডিলার নিপুণ চাকমা বলেন, “সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন ওএমএস কার্যক্রম চলবে। এছাড়া একেক দিন একেক এলাকায় ঘুরে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যাতে দুর্গম এলাকার মানুষও স্বল্পমূল্যে খাদ্যশস্য কিনতে পারেন।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক পরিবার ফসল, ঘরবাড়ি ও আয়ের উৎস হারিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বল্পমূল্যে চাল ও আটা বিক্রির এ উদ্যোগ তাদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি হয়ে এসেছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় ওএমএসের মাধ্যমে কম দামে খাদ্যপণ্য সংগ্রহ করতে পেরে তারা সরকারের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে মনে করছেন।

দীঘিনালা খাদ্য অধিদপ্তর খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা হিমো চাকমা বলেন সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওএমএস কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যশস্য পৌঁছে দেওয়া এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যাতে অধিক সংখ্যক মানুষ এর সুবিধা নিতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost