
সরকারি স্যালাইন মজুত থাকলেও বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে রোগীদের। রবিবার সকালে নওগাঁ সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এসব অনিয়ম পেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এসময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ফার্মেসি, রান্নাঘর ও শৌচাগার পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। কথা বলেন রোগী ও রোগীর স্বজনদের সাথে।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নওগাঁ সদর হাসপাতালে সরকারি স্যালাইন মজুত থাকা সত্ত্বেও রোগীকে দেওয়া হচ্ছিল না। এবিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়াও ডাক্তার দ্বীন মোহাম্মদ সোহেল নামের একজন চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিষয়ে বলেন, দেশে বিগত ১৭ বছর ব্যাঙের ছাতার মত প্রাইভেট ক্লিনিক, হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর কাগজপত্র বিহীন এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা শুরু করেছে। এছাড়া সারাদেশে নিয়মিত ভ্রাম্যমান পরিচালনা করা হচ্ছে। সেবার মান উন্নয়নে অনিয়ম পেলে করা হচ্ছে জরিমানা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ টি ও জেলা সদর হাসপাতালে ১০ টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন করা হবে। যাতেকরে জেলা পর্যায়ে রোগীদের এসব সেবার জন্য ঢাকায় যেতে না হয়। এছাড়াও তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা উন্নতি করনে সরকারি নানামুখী উদ্যোগের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এসময় নওগাঁ সদর আসনের এমপি জাহিদুল ইসলাম ধলু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আখতারুজ্জামান সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply