
“কৃষি সমৃদ্ধ” কৃষি উন্নতি ধারন করে খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত হতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক সাড়ে ৩শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন (উফশী ও হাইব্রিড)জাতের শাকসবজি বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে
উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় সামনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত হতে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন (উফশী ও হাইব্রিড) জাতের শাকসবজি বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন করেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিল পারভেজ। কৃষি উপসহকারী অফিসার মো: শামীমুল আরবার এর সঞ্চালনায় বীজ ও সার বিতরন অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিল পারভেজ এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দীঘিনালা উপজেলা কৃষকদলে সভাপতি মো নজরুল ইসলাম, দীঘিনালা প্রেসক্লব সাবেক সভাপতি মো সোহেল রানা প্রমূখ।
আলোচনা সভায় প্রদান অতিথি তানজিল পারভেজ বলেন, সরকার প্রনোদনার মাধ্যমে কৃষকদের চাষাবাদে উৎসাহিত করে। আপনাদের মাধ্যমে নতুন নতুন জাত প্রচার ও প্রসার করার জন্য বীজ ও সার দিয়ে থাকেন। একসময় সরকার প্রনোদনা দেয়া বন্ধ করে দিবে। কৃষি অফিসে পরামর্শমতে সঠিক ভাবে চাষাবাদ করলে ভালো ফলন আসলে আপনাদের দেখে অন্য কৃষকরাও চাষ করবে।
কৃষি কর্মকর্তা মো শাহাদাত হোসেন বলেন, কৃষি উপসহকারী অফিসারদের পরামর্শে চাষ করতে হবে। আর হাইব্রিড ফসল থেকে বীজ নেয়া যাবে না, উফশী জাতের ফসল থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তীতে আপনারা এসব উফশী জাতে বীজ বিক্রি করতে পারবেন। এলাকায় প্রচুর তামাক চাষ হয়, তামাক চাষ ছেড়ে আগাম শাকসবজি চাষ করলে প্রচুর লাভবান হওয়ার সম্ভব।
এতে উপজেলা ৫টি ইউনিয়ন এর ৩শত ৫০জন কৃষককে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি বীজ ও রাসায়নিক সার প্রদান করা হয়।
Leave a Reply